দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর ‘জান্নাতের টিকিট’ আর কোথাও কাজে দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। দলটির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেছেন, ধর্মীয় লেবাসে দলটির নেতাদের কর্মকাণ্ডের কারণে জনগণের কাছে দলটির ইসলামি পরিচয় প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, প্রতিনিয়ত যে দলের অসংখ্য নেতার পরকীয়ার সংবাদ গণমাধ্যম প্রকাশিত হয়, যে দল রোজা ও পূজাকে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ মনে করে, যে দল মনে করে আগে ছিল হিন্দু মানে নৌকা, এবার হবে হিন্দু মানে দাঁড়িপাল্লা। যে দলের আইনজীবী শহীদ আবরার ফাহাদের খুনিদের আইনজীবী হয়, যে দল সকাল বেলা ভারতের বিরুদ্ধে বলে রাতের বেলা ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে, যে দল তার নিজ দলের নেতাকর্মীদের জান্নাতের পথ দেখাতে হিমশিম খাচ্ছে, তারা কিভাবে জনগণকে হেদায়েতের পথ দেখাবে?
পোস্টে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের বক্তব্যের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন রাশেদ খান। তিনি লেখেন, জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে মুফতি আবদুল মালেক মন্তব্য করেছেন, যারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেবেন, তারা পথভ্রষ্ট হবেন।
রাশেদ খাঁন লেখেন, জামায়াতের দেখানো জান্নাতের পথে হেঁটে মানুষ আর ‘দাজ্জালের জান্নাতে’ যেতে আগ্রহী হবে না। তার অভিযোগ, মুফতি আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে ওয়াজের মাঠে আমির হামজা ও তারেক মনোয়ারের মতো ব্যক্তিদের নামিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা সম্ভব হলেও জনগণের কাছে জামায়াতকে আর ইসলামি দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।
সবশেষে রাশেদ খান বলেন, বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠকে ‘কোথায় বলেছি ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করবো?’—এমন বক্তব্য দেওয়া দলকে ইসলামি দল বলা যায় না বলে তিনি মনে করেন।
কেএম